মাত্র ১৫ রানে প্রথম তিনটি উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র’র ধারাবাহিক বোলিংয়ে শুরুতেই ব্যাটিং ক্র্যাশ হয়েছে টাইগারদের। ওপেনারদের দ্রুত হারানোর সঙ্গে সঙ্গে দল চাপে পড়ে, ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও পাকিস্তানের দিকে যাচ্ছে।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম ধাক্কা দেন শাহীন। ছক্কার চেষ্টায় ফ্লিক করতে গিয়ে টাইমিং মিস করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। মাত্র ৭ বল খেলে ১ রান করে মোহাম্মদ ওয়াসিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। প্রথম ওয়ানডের নায়ক তানজিদ এবার ব্যর্থতার মুখে পড়েছেন।
পরবর্তী ওভারে আক্রমণ শানান মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। ওভারের প্রথম বলেই শর্ট মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন অপর ওপেনার সাইফ হাসান। ১২ রান করার পর তার আউটের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে।
দলের দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করেও বিপদ আরও বাড়িয়ে দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শাহীনের ইন-সুইং ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলার চেষ্টা করেও তিনি উইকেটের লো-বাউন্সে সরাসরি বোল্ড হন। মাত্র ৪ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি টাইগার অধিনায়ক।
৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫ রান। ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়।
এর আগে পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। শেষ ৪৩ রানে পাকিস্তান হারিয়েছে ৭ উইকেট। চতুর্থ উইকেটে সালমান ও রিজওয়ান ১০৯ রানের জুটি গড়ে ৩ উইকেটে ২৩১ রান তুলেছিল। বিতর্কিত রানআউটে ৬৪ রানে ফিরেন সালমান, এরপর পাকিস্তানের ইনিংস দ্রুত ধসে পড়ে।