বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বিশ্বকাপের আগে স্পেনকে রুখে দিল ইরাক

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের মহোৎসব শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে আশানুরূপ ফল পায়নি স্পেন। ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা তুলনামূলক কম শক্তির ইরাকের সঙ্গে এক-এক ব্যবধানে সমতায় থেকে মাঠ ছেড়েছে।

বিশ্বকাপের আগে স্পেনকে রুখে দিল ইরাক
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের মহোৎসব শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে আশানুরূপ ফল পায়নি স্পেন। ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা তুলনামূলক কম শক্তির ইরাকের সঙ্গে এক-এক ব্যবধানে সমতায় থেকে মাঠ ছেড়েছে।

নিজেদের মাঠ এস্তাদিও আবাঙ্কা-রিয়াসোরে ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে স্বাগতিক স্পেন। খেলার অষ্টম মিনিটেই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার অ্যালেক্স বায়েনার একটি চমৎকার আক্রমণ রুখে দিয়ে ইরাককে বিপদমুক্ত করেন দলের গোলরক্ষক আহমেদ বাসিল।

তবে শুরুর এই ধাক্কা সামলে নিয়ে ম্যাচের ষোলোতম মিনিটে লিড আদায় করে নেয় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দানি ওলমোর বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দ্রুততার সাথে বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান ফেরান তোরেস।

তার এই লক্ষ্যভেদে খেলায় এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। পুরো ম্যাচ জুড়েই বলের নিয়ন্ত্রণ স্পেনের ফুটবলারদের পায়ে থাকলেও ম্যাচের ছাব্বিশতম মিনিটে আকস্মিকভাবেই সমতায় ফেরে এশিয়ান পরাশক্তি ইরাক। মাঠের বাঁ দিক থেকে মেরচাস দোস্কির নেওয়া দূরপাল্লার এক নান্দনিক লব শট স্পেনের গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়াকে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়।

প্রথম অর্ধেকের বাকি সময়ে ব্যবধান বাড়ানোর আরও বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল স্প্যানিশরা। এর মধ্যে তোরেসের নেওয়া একটি দূরপাল্লার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং দানি ওলমোর আরেকটি নিশ্চিত গোল প্রচেষ্টা ইরাকি গোলরক্ষক বাসিল প্রতিহত করেন।

খেলার বিরতির পর দুই দলের কোচই মাঠের কৌশলে একাধিক বদল আনায় ম্যাচের স্বাভাবিক গতি কিছুটা বিঘ্নিত হয়। দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের পক্ষে হেসুস রদ্রিগেস, গঞ্জালো গার্সিয়া এবং ইয়েরেমি পিনো বেশ কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত জয়সূচক গোলটি আর আসেনি।

বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে এমন ড্র স্প্যানিশ শিবিরের জন্য কিছুটা হতাশার হলেও একটি ইতিবাচক দিক হলো তারা টানা উনত্রিশ ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে অপরাজিত থাকার অনন্য ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। অন্যদিকে আসন্ন টুর্নামেন্টে ফ্রান্স, নরওয়ে ও সেনেগালের মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে কঠিন গ্রুপে লড়াই করতে যাওয়া ইরাক এই বড় অর্জন থেকে দারুণ মানসিক বল পাবে। ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তিকে রুখে দিয়ে তারা নিশ্চিতভাবেই বিশ্বমঞ্চে মাঠে নামার আগে নিজেদের শক্তির জানান দিল।