বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বিশ্বকাপের আগে ভারতে নিপাহ আতঙ্ক, অস্ট্রেলিয়ার বাড়তি সতর্কতা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে গড়াতে বাকি আর মাত্র এক সপ্তাহ। ঠিক এমন সময়েই আয়োজক দেশ ভারতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস। নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ বাদ পড়ার পর এবার স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্ক বাটলার জানিয়েছেন, সরকার ভারতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্বকাপের আগে ভারতে নিপাহ আতঙ্ক, অস্ট্রেলিয়ার বাড়তি সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে গড়াতে বাকি আর মাত্র এক সপ্তাহ। ঠিক এমন সময়েই আয়োজক দেশ ভারতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস। নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ বাদ পড়ার পর এবার স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্ক বাটলার জানিয়েছেন, সরকার ভারতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার ‘নাইন নেটওয়ার্ক টেলিভিশন’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্ক বাটলার বলেন, ‘নিপাহ ভাইরাস কখনোই অস্ট্রেলিয়ায় ধরা পড়েনি। তবে ডিসেম্বর মাসে ভারতে যে প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে, সেটিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছে যে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবুও আমরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছি, কারণ এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর ভাইরাস।’ অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বরাবরই অত্যন্ত সতর্ক। ফলে ভাইরাসের পরিস্থিতি অবনতি হলে তাদের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

এর আগে পাকিস্তানের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছিল, নিপাহ ভাইরাসের কারণে ভারতে খেলতে আপত্তি জানিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। তবে এ বিষয়ে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না দেওয়ায় তথ্যটির সত্যতা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে ভারতের ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আইসিসি সেই আবেদন নাকচ করে উল্টো বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এখন নিপাহ ভাইরাসের কারণে যদি অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ডের মতো বড় দলের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরিয়ে নিতে হয়, তাহলে আইসিসি নিশ্চিতভাবেই ‘দ্বিমুখী নীতি’ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে পারে।