বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ঝিনাইদহ সীমান্ত দিয়ে নারী পাচার রোধে পুলিশের তৎপরতা: ১৬ দিনে উদ্ধার ৬

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পাচারের সময় গত ১৬ দিনে পৃথক চার অভিযানে ছয় নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও বিজিবি। এসব ঘটনায় মানবপাচার আইনে চারটি আলাদা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে মোট ৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঝিনাইদহ সীমান্ত দিয়ে নারী পাচার রোধে পুলিশের তৎপরতা: ১৬ দিনে উদ্ধার ৬
ছবিঃ সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পাচারের সময় গত ১৬ দিনে পৃথক চার অভিযানে ছয় নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও বিজিবি। এসব ঘটনায় মানবপাচার আইনে চারটি আলাদা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে মোট ৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত এসব উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। সর্বশেষ গত ৯ মার্চ শ্যামকুড় সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর কোতোয়ালী থানার এক নারীকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে এবং আলমগীর বিশ্বাস নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া একই সময়ে বিজিবির টহল দল আরও দুই নারীকে পাচারের হাত থেকে রক্ষা করে, যা নিয়ে মহেশপুর থানায় পৃথক একটি মামলা করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ মার্চ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে কাজিরবেড় ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রাম থেকে ঢাকার ফকিরাপুল এলাকার এক নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ। পাচারচক্রের সদস্যরা ওই নারীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছিল। এই ঘটনায় ৪ মার্চ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া গত ২১ ফেব্রুয়ারি মাটিলা সীমান্ত থেকে এক নারীকে উদ্ধারের ঘটনায় ছমির নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২২ ফেব্রুয়ারি ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অর্ধশত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ৫৮-বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অপরাধ ও পাচার রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।