শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের চাটমোহর স্টেশনে যাত্রাবিরতির জন্য পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আবেদন

‎কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের চাটমোহর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সদস্যবৃন্দ

কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের চাটমোহর স্টেশনে যাত্রাবিরতির জন্য পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আবেদন
ছবি : সংগৃহীত

‎কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের চাটমোহর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সদস্যবৃন্দ।

‎‎সোমবার (২২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.আবুল হাসনাত মো. শামীমের মাধ্যমে এ আবেদনপত্র বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানোর জন্য আবেদন করা হয়। আবেদনপত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সুপারিশও সংযুক্ত রয়েছে।

‎‎আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পাবিপ্রবিতে কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার অনেক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। তাদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস। তবে ট্রেনটি চাটমোহর স্টেশনে যাত্রাবিরতি না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের নাটোর স্টেশনে নেমে অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিয়ে বাসে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে হয়। এতে সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থী, অসুস্থ ব্যক্তি এবং রাতের যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

‎‎আবেদনকারীরা আরও বলেন, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাটমোহর স্টেশন হয়ে চলাচল করলেও সেখানে কোনো স্টপেজ নেই। অথচ চাটমোহর রেলওয়ে স্টেশন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটতম  রেলওয়ে স্টেশন। এখানে যাত্রাবিরতি চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কুড়িগ্রাম,রংপুর লালমনিরহাটসহ আশপাশের জেলার যাত্রীরাও উপকৃত হবেন।

‎‎এছাড়া চাটমোহর স্টেশনে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চালু হলে যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎‎শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপাচার্য বলেন, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদন পত্রটি রেলওয়ে  মন্ত্রনালয়ের কাছে পাঠানোর ব্যাবস্থা করব।

‎‎আবেদনপত্রে বিষয়টি মানবিক ও জনস্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। 

‎

‎