গাজীপুরের টঙ্গীতে এক ১০ বছরের শিশু ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কামরুজ্জামান (৫৪) নামের এক মাদ্রাসাশিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার দিকে টঙ্গীর নামাবাজার সংলগ্ন ‘আছহাবে সুফফা ইসলামিয়া নূরানি মাদ্রাসা’ থেকে তাকে হেফাজতে নেয় টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষক ক্লাসরুমের পাশে একটি দোকানে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বসতে বলেন। এর কিছুক্ষণ পর শিক্ষক কামরুজ্জামান সেখানে গিয়ে ওই ছাত্রীর শরীরে আপত্তিকরভাবে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন চালান। পরবর্তীতে বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার ছুটি হলে শিশুটি বাড়ি ফিরে তার মাকে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বস্তিবাসী ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওই মাদ্রাসায় চড়াও হন এবং শিক্ষককে আটকে রাখেন।
খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারাদেশ
মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ
গাজীপুরের টঙ্গীতে এক ১০ বছরের শিশু ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কামরুজ্জামান (৫৪) নামের এক মাদ্রাসাশিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার দিকে টঙ্গীর নামাবাজার সংলগ্ন ‘আছহাবে সুফফা ইসলামিয়া নূরানি মাদ্রাসা’ থেকে তাকে হেফাজতে নেয় টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ।