কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জিয়াউল হক নামে এক স্থানীয় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।
গত রবিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের ওমরগঞ্জ বাজারে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে।
অভিযুক্ত জিয়াউল হক একই ইউনিয়নের পাটোয়ার কারী বাড়ির আব্দুল মন্নানের ছেলে। এই ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দিলেও বর্তমানে সে আত্মগোপনে রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় ওই শিশুটি ওমরগঞ্জ বাজারের একটি দোকানে মশার কয়েল কিনতে আসে। সে সময় ব্যবসায়ী জিয়াউল হক তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজের দোকানের ভেতরে ডেকে নেয়। সেখানে সে শিশুটিকে মুঠোফোনে আপত্তিকর ভিডিও দেখায় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। স্থানীয়রা জানান, ইতিপূর্বেও ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এই ধরনের একাধিক অভিযোগ থাকায় এলাকাবাসী তার ওপর কড়া নজর রাখছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে বাজারের লোকজন তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। তবে ওই সময় আচমকা বৃষ্টি শুরু হলে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সে স্থান থেকে পালিয়ে যায়।
সামাজিক মর্যাদা ও লোকলজ্জার ভয়ে ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের সদস্যরা এই বিষয়ে গণমাধ্যমের সামনে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি আগেই পালিয়ে যাওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী সব ধরনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।