ওয়াংচুক অনশন ত্যাগ করার পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর দ্রুত শারীরিক সুস্থতা কামনা করে একটি বার্তা প্রকাশ করেন। উক্ত বার্তায় ওয়াংচুককে চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনে চলার পাশাপাশি দ্রুত স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
গত জুন মাসের শেষদিক থেকে শুরু হওয়া এই অনশন ভাঙার সময় কেন্দ্রীয় সরকারের দুই শীর্ষ মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং, লাদাখের প্রতিনিধি দল এবং ওয়াংচুকের পরিবার উপস্থিত ছিলেন। দুই মন্ত্রী নিজ হাতে তাঁকে পানীয় পান করিয়ে অনশন ভাঙান, যা পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার পায়। এই সময় ওয়াংচুক উপস্থিত মন্ত্রীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আন্দোলনের পুরো সময় পাশে থাকায় তাঁর স্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা স্পষ্ট করে জানান, নিয়ম মেনে আন্দোলন চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এর পাশাপাশি প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ ও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার প্রক্রিয়ায় প্রশাসন গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
এদিকে সার্বিক ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে কাকরোজ জনতা পার্টির মূল উদ্যোক্তা অভিজিৎ দীপকে আন্দোলনকারীর আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তবে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানান, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তাঁদের প্রতিবাদ কর্মসূচি যথারীতি চালু থাকবে।
অন্যদিকে পরীক্ষা সংক্রান্ত নানা বিশৃঙ্খলা ও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ইতোমধ্যে মূল অভিযুক্তদের আইনশৃঙ্খলার আওতায় এনে কারাগারে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, দ্রুততম সময়ে বিচার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ আদালত গঠনের বিলে আইনসভার সম্মতি নেওয়ার উদ্যোগ দ্রুত নেওয়া হচ্ছে।