বৃহস্পতিবার, 22 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

অভিযোগপত্র প্রত্যাখান, হাদি হত্যায় রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত থাকার অভিযোগ ইনকিলাব মঞ্চের

শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে- এমন দাবি সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তাঁর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডে একটি সংগঠিত চক্রের পাশাপাশি রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত রয়েছে, আর যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তা তিনি মানেন না।

অভিযোগপত্র প্রত্যাখান, হাদি হত্যায় রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত থাকার অভিযোগ ইনকিলাব মঞ্চের

শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে- এমন দাবি সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তাঁর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডে একটি সংগঠিত চক্রের পাশাপাশি রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত রয়েছে, আর যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তা তিনি মানেন না।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

অভিযোগপত্র প্রসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব বলেন, ‘সরকার বলেছে যে, একজন ওয়ার্ড কমিশনার নাকি ওসমান হাদিকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে। যার বদৌলতে ফয়সাল করিম মাসুদ খুন করেছে। এটা তো পাগলেও বিশ্বাস করবে না। ওসমান হাদিকে খুনের সঙ্গে একটা পুরো খুনের চক্র জড়িত রয়েছে। এই খুনের পেছনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত রয়েছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি না করা পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই থামবে না। যেই চার্জশিটে তাদের নাম নেই, সেই চার্জশিট মানি না।’

উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাটি ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ থেকে পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত।

ডিবিপ্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, শরিফ ওসমান বিন হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন, আর সেই রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই তাকে হত্যা করা হয়।

এ ছাড়া তদন্তে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)-এর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ফয়সাল ও তার সহযোগী আলমগীরের পলায়নে ‘সার্বিক সহায়তাকারী’ হিসেবে ভূমিকা রাখেন।