রোববার রাতে উপজেলার শম্ভুপুরা এলাকার একটি বালুরঘাটে এই রক্তক্ষয়ী আক্রমণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় ভুক্তভোগীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য মারাত্মক জখম হন। নিহত ব্যক্তি স্থানীয় অধিবাসী আয়নাল হকের পুত্র বলে জানা গেছে।
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অপরাধস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধারপূর্বক ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাজনৈতিক সংঘাত নাকি ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধে জড়িতদের পরিচয় উন্মোচন এবং তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বিশেষ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।