বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযান, ১০ গ্রেনেডসহ ২৮ রাউন্ড গোলা উদ্ধার

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভূগর্ভে লুকিয়ে রাখা ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গুলি এবং দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি টের পেয়ে অপরাধীরা দ্রুত চম্পট দেওয়ায় এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযান, ১০ গ্রেনেডসহ ২৮ রাউন্ড গোলা উদ্ধার
ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভূগর্ভে লুকিয়ে রাখা ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গুলি এবং দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি টের পেয়ে অপরাধীরা দ্রুত চম্পট দেওয়ায় এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

আজ রোববার দুপুরে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, নাফ নদী এবং বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমানায় অনুপ্রবেশ, মাদক চোরাচালান, মানব পাচার ও উগ্রবাদী চক্রের যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতা রুখতে নিয়মিত টহল জোরদার রাখা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সূত্রে খবর আসে যে, টেকনাফের জাদিমুড়া সংলগ্ন নাফ নদীর তীরবর্তী এলাকায় একটি সশস্ত্র অপরাধী চক্র নাশকতার উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে, যা পরবর্তী সময়ে দেশের অভ্যন্তরে অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত রাতে কোস্ট গার্ডের টেকনাফ স্টেশনের একটি চৌকস দল ওই নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালায়। নিবিড় অনুসন্ধানের পর মাটির নিচে অভিনব কায়দায় পুঁতে রাখা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত দুটি ৩৬ এম এমকে-১ হ্যান্ড গ্রেনেড, আটটি ৪০ এমএম এইচইডিপি গ্রেনেড এবং ২৮ রাউন্ড ৭ দশমিক ৬২ মিলিমিটারের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। একই স্থান থেকে মাদকদ্রব্য হিসেবে দুই কেজি গাঁজাও উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ডের দাবি, অভিযানের খবর পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে ধরা না গেলেও অপরাধীদের শনাক্ত করতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত এই মারাত্মক বিস্ফোরকগুলো কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছালে বড় ধরনের জানমালের ক্ষতি হতে পারত। এই সফল অভিযানের ফলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি বড় ধরনের চক্রান্ত নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া এসব মারাত্মক অস্ত্র ও মাদকের বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ চলছে এবং দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।