আর্কাইভ
ads
logo

মানবতাবিরোধী অপরাধে শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ এ.এম
মানবতাবিরোধী অপরাধে শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

ছবি : সংগৃহীত

ads

বিগত জুলাই মাসের গণআন্দোলন চলাকালে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আজ আনুষ্ঠানিক সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ প্রসিকিউশন পক্ষের প্রারম্ভিক বক্তব্য বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আজ বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর শীর্ষ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক বেঞ্চে এই কার্যক্রমের দিন নির্ধারিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলাটির অভিযুক্ত সব আসামই বর্তমানে আত্মগোপনে থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই এই আইনি প্রক্রিয়া সচল রাখা হয়েছে। পলাতক আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে আইনজীবী নিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার নথিতে সাবেক আইনপ্রণেতা শামীম ওসমান ছাড়াও তাঁর পরিবারের সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ বেশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের তালিকায় রয়েছেন শামীম ওসমানের পুত্র ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের নিকটাত্মীয় মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি এবং স্থানীয় রাইফেলস ক্লাবের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ টিটু। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মী রাজু আহমেদ, সাবেক দুই স্থানীয় কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু ও কামরুল হাসান মুন্না, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, হাবিবুর রহমান রিয়াদ এবং সোহানুর রহমান শুভ্রকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রসিকিউশন পক্ষের উত্থাপিত তিনটি সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর চূড়ান্ত আদেশ দেন। একই সাথে পরবর্তী শুনানির জন্য আজকের দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

প্রসিকিউশনের দায়ের করা বিবরণী অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে গত বছরের ১৯ জুলাই চাষাঢ়া ও সাইনবোর্ডসহ সংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের অভিযানে কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাক শ্রমিক রাসেল এবং শিশু রিয়াসহ মোট ছয়জন নিহত হন। দ্বিতীয় অভিযোগে ২১ জুলাই ভূইগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিব নামের দুজনকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় অভিযোগে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন বদিউজ্জামান ও আবুল হাসান নামের আরও দুই ব্যক্তিকে হত্যার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে ট্রাইব্যুনাল এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ