আর্কাইভ
ads
logo

কোন মানের সিগারেটের দাম কত বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ১১ জুন ২০২৬, ০৬:০২ পি.এম
কোন মানের সিগারেটের দাম কত বাড়ছে

ads

তামাকপণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা এবং রাজস্ব আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মূল্যস্তর অনুযায়ী ১০ শলাকার একেকটি সিগারেট প্যাকেটের দাম সর্বোচ্চ ২৫ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী তামাকজাত পণ্যের মূল্য ও কর কাঠামোয় এই পরিবর্তনের প্রস্তাব দেন।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যম স্তরের সিগারেটের ক্ষেত্রে ৮০ টাকা থেকে ১২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ৯২ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

উচ্চ ও অতি উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হচ্ছে। উচ্চস্তরের ১০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে অতি উচ্চ স্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের ন্যূনতম মূল্য ১৮৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।


নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোতে নতুন শুল্ক

বাজেটে নতুন ধরনের তামাকপণ্য নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর ওপরও ন্যূনতম মূল্য ও শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি ১০ গ্রাম নিকোটিন পাউচের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টাকা। এর ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। একইভাবে ১০ শলাকার হিটেড টোব্যাকোর সর্বোচ্চ মূল্য ২১০ টাকা নির্ধারণ করে এর ওপর ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বসানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

অবৈধ তামাক ব্যবসা ঠেকাতে নজরদারি জোরদার

তামাক খাতে রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ এবং অবৈধ সিগারেট ও তামাকপণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে বেশ কয়েকটি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে নতুন বাজেটে।

এর অংশ হিসেবে সিগারেট উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণে ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে উৎপাদন ও সরবরাহ কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য কাউন্টিং ডিভাইস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। সিগারেট স্ট্যাম্পে কিউআর বা এআর কোড সংযুক্ত করার উদ্যোগও থাকছে।

অবৈধ তামাকপণ্যের তথ্য সংগ্রহ ও বাজার তদারকির জন্য একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ চালুর কথাও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এই অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকরা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) অবৈধ সিগারেটের তথ্য জানাতে পারবেন। চোরাচালান বা অবৈধ সিগারেট সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদানকারীদের পুরস্কৃত করার ব্যবস্থাও রাখা হবে।

এ ছাড়া সিগারেট ও বিড়ির কাগজ আমদানির ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শুধুমাত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোই সিগারেট ও বিড়ি পেপার আমদানি করতে পারবে। এসব পণ্য কোনো ট্রেডার বা সাধারণ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা যাবে না।



ads

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ