যেকোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো মহানগরীকে কড়া নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
ডিএমপির গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ধর্মীয় এই আয়োজনকে ঘিরে পুরো রাজধানীতে তল্লাশি চৌকি ও মোবাইল টিমের টহল বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে যানবাহন ও পথচারীদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে বেশ জোরদারভাবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে ডিবি ও সিটিটিসির দক্ষ দল গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। স্পর্শকাতর ও জনবহুল পয়েন্টগুলোতে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল এবং কে-নাইন স্কোয়াড দিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। একইসাথে বিশেষ স্থাপনাগুলোকে নিবিড় নজরদারিতে রেখে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের সাহায্যে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, তথ্য সংগ্রহ ও গোপনীয় তদারকির জন্য সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছেন সিটিএসবি ও আইএডির প্রতিনিধিরা। র্যাব ও সিআইডির অতিরিক্ত দলও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে। উদ্ভূত যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক সামাল দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে কুইক রেসপন্স টিম।
সাধারণ ডিউটির বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় আলোচনা, মিলাদ মাহফিল ও শোভাযাত্রার সুরক্ষায়। এছাড়া স্থানীয় থানার টহল গাড়িগুলো প্রতিটি মিছিলের আগে-পিছে থেকে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে।
নিজেদের আওতাধীন এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে সরাসরি তদারকি করছেন ডিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তারা। ধর্মপ্রাণ মানুষের যাতায়াত এবং পবিত্র অনুষ্ঠানসমূহ বিঘ্নহীন রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।