আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার একটি বিকল্প বা ‘ছায়া বাজেট’ এর রূপরেখা ঘোষণা করেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে দলটির পক্ষ থেকে এই খসড়া প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।
রাজধানীর মগবাজার এলাকায় অবস্থিত আল ফালাহ মিলনায়তনে মঙ্গলবারে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই বিকল্প বাজেট সবার সামনে তুলে ধরা হয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য এবং ঢাকা-১২ নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম খান মিলন দলটির পক্ষ থেকে এই জনমুখী বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
উত্থাপিত এই খসড়া বাজেটে দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক সুরক্ষার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে কয়েকটি বিশেষ খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় ঋণ ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের পুঞ্জীভূত সুদ পরিশোধ, জনপ্রশাসন পরিচালনা এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের সার্বিক উৎকর্ষ সাধনের বিষয়টিকে এই বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দলটির নীতিনির্ধারকেরা উল্লেখ করেন, কেবল প্রথাগত আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে এবং একটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ সুগম করতেই এই বিকল্প অর্থনৈতিক দলিলটি প্রণয়ন করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় সংসদে মূল বাজেট পেশের প্রাক্কালে দেশের সাধারণ মানুষের সামনে একটি জনকল্যাণমুখী ভাবনার দৃষ্টান্ত স্থাপন করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।







