আর্কাইভ
ads
logo

নিখোঁজ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান : পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ এ.এম
নিখোঁজ নয়, আত্মগোপনে ছিলেন শিবির নেতা জিসান : পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত

ads

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে কথিত নিখোঁজের ২৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. জিসান মিয়া প্রধান।

শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি প্রকৃতপক্ষে নিখোঁজ হননি, বরং স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।

এই ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে শুক্রবার রাতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাতে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন দাবি করে পরদিন শুক্রবার দাউদকান্দি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর পক্ষে মো. রাসেল আহম্মেদ। জিডি দায়েরের পর জেলা পুলিশের একাধিক বিশেষ দল জিসানকে খুঁজে বের করতে মাঠে নামে এবং নিবিড় অনুসন্ধান শুরু করে।

তদন্ত চলাকালীন আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী জানতে পারে, গত ৫-৬ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের সূত্রে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় ও পরবর্তী সময়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অনুসন্ধানের বরাতে পুলিশ জানায়, গত ২০ মে দাউদকান্দিতে জিসানের ভাড়া বাসায় ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন এবং বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের কারণে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে জিসান সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিলে ভুক্তভোগী বাধ্য হন। জিসান তাঁর এক বন্ধুর ফার্মেসি থেকে গর্ভপাতের ওষুধ এনে খাওয়ানোর পর জিসানের চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে আরও কিছু ওষুধ ওই নারীর বাড়িতে পাঠানো হয়।

পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগী নারী জিসানকে বিয়ের জন্য অনবরত চাপ দিতে থাকলে এক পর্যায়ে জিসান ১২ জুন বিয়ে করতে সম্মত হন। কিন্তু নির্ধারিত তারিখের আগের দিন অর্থাৎ ১১ জুন রাতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি এড়াতে জিসান নিজেই আত্মগোপনে চলে যান এবং সুকৌশলে তাঁর ভাইয়ের মাধ্যমে থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করান। দাউদকান্দি থানা পুলিশের অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে লাকসাম থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় জিসানকে লাকসাম এলাকা থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনা উদঘাটনের পর ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। জিসানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ, এই অপরাধে প্ররোচনা ও সহযোগিতা এবং ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে আনা এই মামলার প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ